ঢাকা ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যুতে দিল্লিতে নতুন চিঠি পাঠিয়েছে ঢাকা: তৌহিদ মেয়েদের নিয়ে অশ্লীল মন্তব্য মানসিক অসুস্থতা : স্পর্শিয়া গণভোটের চেয়ে পেঁয়াজ সংরক্ষণাগার তৈরি করা বেশি জরুরি: তারেক রহমান চলচ্চিত্র নির্মাণে অনুদানের নীতিমালায় সংশোধন আনা হবে: তথ্য উপদেষ্টা প্রধান উপদেষ্টা জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন বৃহস্পতিবার নির্বাচন নিয়ে এখন পর্যন্ত আতঙ্কিত হওয়ার মতো কোনো পরিস্থিতি হয়নি: ইসি সচিব উন্মোচিত হলো টি-টোয়েন্টি সিরিজের ট্রফি সালমান শাহ হত্যা মামলা: আসামিদের দেশত্যাগ ঠেকাতে ইমিগ্রেশনে পুলিশের চিঠি ভোটকেন্দ্রের তালিকা চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন জেনে নিন ব্ল্যাক কফি খাওয়ার কিছু উপকারিতা

দলীয় প্রতীক না দেওয়া আরেকটা ফাঁদ: মির্জা আব্বাস

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

০৫ মে, ২০২৪,  4:30 AM

news image

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন,উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রতীক না দেওয়া আরেকটা ফাঁদ।

শনিবার (৪ মে) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে এ মন্তব্য করেন তিনি। ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিবুর রশিদ হাবিবের মুক্তির দাবিতে হাবিবুর রশিদ হাবিব মুক্তি পরিষদ এই মানববন্ধনের আয়োজন করে।

মানববন্ধনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

সাবেক গর্ভনর ফরাসউদ্দিন আহমেদ -এর বক্তব্য তুল ধরে মির্জা আব্বাস বলেন, কী বিচিত্র বাংলাদেশ। ‘এক শ টাকার জন্য চোরের হাত বেঁধে রাখেন, এক হাজার কোটি টাকা যারা চুরি করেন, তাদেরকে স্যালুট দেন’। এই তো বাংলাদেশ।

প্রতিদিন ৫০ থেকে ১০০ জন অভিভাবক, স্ত্রী-সন্তান আমার কাছে আসে এমনটা জানিয়ে মির্জা আব্বাস বলেন, কেউ বলে আমার বাবা জেলে, কেউ বলে আমার স্বামী জেলে, কেউ বলে আমার ছেলে জেলে, কেউ বলে আমার ভাই জেলে। কতজনের জন্য কথা বলব, আর কতজনকে শান্ত¡না দেবো।

তিনি বলেন, আমরা কতবার বলেছি- দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়ে অথবা চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে পাঠান। ওঁর অবস্থা বেশি ভালো না। সরকার বলছে, আইন নাই। আইন থাকবে না কেন, আইন কি মানুষের জন্য, না আইনের জন্য মানুষ? এ সময় রাশেদ খান মেনন ও আ স ম আবদুর রবের চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার কথা তুলে ধরেন মির্জা আব্বাস। সেই সাথে তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তাদেরকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠিয়েছিলেন। আ স ম আবদুর রবকে বন্দী অবস্থায় এবং রাশেদ খান মেননকে পাঠিয়েছিলেন আজকের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

মির্জা আব্বাস বলেন, আপনাদের (সরকার) মনে থাকে না। একটা মামলা দিবেন, জেলে পাঠাবেন। আর বলবেন, রাজনৈতিক কোনো রাজবন্দী জেলে নাই। এরা হলো মামলার আসামি। আরে কোন মালমার আসামি? রাজনৈতিক মামলার আসামি। যারা আপনাদের বিরুদ্ধে কথা বলে।

গ্রেফতার করে পৃথিবীর কোনো আন্দোলন কোনো স্বৈরশাসক থামাতে পেরেছে বলে আমার মনে হয় না এমন মন্তব্য করে মির্জা আব্বাস বলেন, আমার জানা নেই। একদিন না একদিন এই স্বৈরশাসকের পতন ঘটবেই জনরোষের মুখে। এটাকে কেউ ঠেকাতে পারবে না।

logo

প্রকাশকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন