ঢাকা ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যুতে দিল্লিতে নতুন চিঠি পাঠিয়েছে ঢাকা: তৌহিদ মেয়েদের নিয়ে অশ্লীল মন্তব্য মানসিক অসুস্থতা : স্পর্শিয়া গণভোটের চেয়ে পেঁয়াজ সংরক্ষণাগার তৈরি করা বেশি জরুরি: তারেক রহমান চলচ্চিত্র নির্মাণে অনুদানের নীতিমালায় সংশোধন আনা হবে: তথ্য উপদেষ্টা প্রধান উপদেষ্টা জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন বৃহস্পতিবার নির্বাচন নিয়ে এখন পর্যন্ত আতঙ্কিত হওয়ার মতো কোনো পরিস্থিতি হয়নি: ইসি সচিব উন্মোচিত হলো টি-টোয়েন্টি সিরিজের ট্রফি সালমান শাহ হত্যা মামলা: আসামিদের দেশত্যাগ ঠেকাতে ইমিগ্রেশনে পুলিশের চিঠি ভোটকেন্দ্রের তালিকা চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন জেনে নিন ব্ল্যাক কফি খাওয়ার কিছু উপকারিতা

চাঁদে মাটির নীচে জলের বিরাট ভাণ্ডার আছে, দাবি গবেষকদের

#

অনলাইন ডেস্ক

১৮ মে, ২০২৪,  2:08 AM

news image

নতুন গবেষণায় দেখা গিয়েছে, চন্দ্রপৃষ্ঠের প্রায় দুই থেকে চার মিটার নীচে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি বরফ রয়েছে। আইআইটি কানপুর, ইউনিভার্সিটি অব সাদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া, জেট প্রপালশন ল্যাব এবং আইআইটি (আইএসএম) ধানবাদের গবেষকরা এ দাবি করেছেন। শুধু বরফ নয়, পানি ধারাও প্রবাহিত হচ্ছে সেখানে। সূত্র: দি ওয়াল

ভারতের ইসরোর মতে, চাঁদের উত্তর মেরুতে দক্ষিণ মেরুর তুলনায় দ্বিগুণ বরফ রয়েছে। এমনকী ড্রিল করে সেই বরফ নাকি বের করাও সম্ভব।

বহু কোটি বছর আগে চাঁদের বিশাল বিশাল আগ্নেয়গিরিগুলো ছিল জীবন্ত। তাদের জ্বালামুখ থেকে অসম্ভব গরম লাভাস্রোত (যার অন্যতম উপাদান- ‘ম্যাগমা’) বেরিয়ে এসেছিল। ম্যাগমা বেরিয়ে আসে পৃথিবী ও চাঁদের ম্যান্টল থেকে। সেই ম্যাগমার মধ্যেই ছিল কাচের টুকরোর মতো পদার্থ। যাকে বলা হয়, ‘ভলক্যানিক গ্লাসেস’।

চাঁদের প্রায় গোটা পিঠ জুড়ে এখনও ছড়িয়ে রয়েছে সেই কাচের টুকরোগুলি। প্রচুর পরিমাণে। প্রায় সাড়ে ৪ দশক আগে নাসার দু’টি মহাকাশযান ‘অ্যাপোলো-১৫’ ও ‘অ্যাপোলো-১৭’ চাঁদের পিঠ থেকে কুড়িয়ে এনেছিল সেই ম্যাগমায় মিশে থাকা কাচের টুকরোগুলো। তখনই বিজ্ঞানীরা দেখেছিলেন, সেই ‘ভলক্যানিক গ্লাসেস’ টুকরোগুলো একেবারে ভিজে চুপচুপে হয়ে রয়েছে। তাদের ধারণা হয়েছিল, চাঁদের পিঠের কোনও কোনও অংশ, যেখানে পানি এখনও আছে।

এতদিন মনে করা হত চাঁদের দক্ষিণ মেরুর অন্ধকার পিঠে পানি জমে থাকলেও থাকতে পারে। এই আবিষ্কারের পরে সেই ধারণা বদলে গেছে। সোলার সারফেস অর্থাৎ চাঁদের যে পিঠে সূর্যের আলো পড়ে সেখানেও পানি আছে বলে দাবি ইসরোর।

logo

প্রকাশকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন